• Tue. Feb 7th, 2023

Azad Service

Learn today Lead tomorrow +8801933307999

Islam

Easy Arabic Alphabet Letters learning

Learn Arabic alphabet letters for the Quran reading. There are 28 Arabic letters. But you have to know the different form of each letter. These letters vary in shape depending on their position within a word. Letters can exhibit up to four distinct forms corresponding to an initial, medial (middle), final, or isolated position. The Arabic letter form are as follows:

Click Here More

******* রাসুলুল্লাহ (সাঃ)এর গুরুত্বপুর্ণ একটা হাদিস, হাদিসটি পড়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না। ********

আমাদের প্রিয় নবীজী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর

একজন কালো সাহাবি ছিলো ,সকল সাহাবির মধ্যে সেই

বেশি কালো , কিন্তু নবীজী(সাঃ)এর ভালোবাসায় সর্বদা

জীবন দিতে প্রস্তুত , সেও শাহসি সাহাবির মধ্যে একজন ,

প্রিয় নবীজি(সাঃ) তাকে অনেক ভালো বাসতেন তাকে ।

_____ একদিন নবীজী(সাঃ) বললো , কালো সাহাবিকে

তুমি সারাক্ষণ আমার সাথেই থাক, তাই তোমার কাছে আমি কিছু

জানতে চাই, নবীজী(সাঃ)এর কাছে মাথা নিছু করে কালো

সাহাবি বলল , হুজুর আমার জান হাজির আপনি শুধু বলুন কি জানতে

চান , নবীজী বলল তোমার বিয়ের সময় হয়েছে , তুমি

কি তার জন্য প্রস্তুত ।

কালো সাহাবি মাথা নেরে বলল , হুজুর আমি যে এত কালো

আমার কাছে কে মেয়ে বিয়ে দেবে , নবীজী(সাঃ)

বলল তুমি বিয়ে করবে কিনা বল তোমার জন্য আমি মেয়ে

দেখবো , কথাটি শুনে কালো সাহাবি খুশিতে কেঁদে

পেলল , হুজুর আপনি আমার জন্য মেয়ে দেখবেন , এর

চেয়ে আমার কাছে বড় আর কি হতে পারে,আমি রাজি। ।

নবীজী(সাঃ) একটি পত্র লিখে কালো সাহাবির হাতে দিয়ে

বললেন এই পত্রটি মদিনার বড় বাড়িতে গিয়ে , মালিকের

হাতে দিয়ে উত্তর জেনে তার পরে আসবে , কালো

সাহাবি জানে না এর ভিতরে কি লেখা আছে , নবীজী

(সাঃ)এর কথা অনুযায়ী পত্র খানি নিয়ে মদিনার বড় বাড়ির

মালিকের হাতে দিল । নবীজী(সাঃ)এর কথা শুনে তারাতারি

পত্রটি খোলে পেলল, এর মধ্যে লেখা আছে

__________

আসছালামুয়ালাইকুম আমি হযরত মোহাম্মদ সাঃ আপনার কাছে

আমার কালো সাহাবির জন্য আপনার মেয়ের বিয়ের

প্রস্তাব দিলাম । আশা করি আমার প্রস্তাব আপনি গ্রহণ

করবেন এবং আমার কালো সাহাবির সাথে আপনার সুন্দরী

মেয়ের বিবাহ দিবেন ,

___________ ইতি হযরত মোহাম্মদ(সাঃ)

বড় বাড়ির মালিক নবীজী(সাঃ)এর কথা শুনে কেঁদে

ফেললো , আমার এক মাত্র মেয়ে , মদিনায় যাকে হুরে

মদিনা বলে চিনে______

( কিতাবে আছে মেয়েটি এত সুন্দর যার কারনে সবাই

তাকে হুরে মদিনা বলে ডাকতো)_______

এখন আমি কি করি নবীজী (সাঃ)বলেছে আনন্দের কথা

কিন্তু ছেলেটি যে অনেক কালো , বিভিন্ন চিন্তায় মালিক

চিন্তিত , কালো সাহাবি বলল নবীজী(সাঃ) কি লিখেছেন ,

আমাকে বলেছেন উত্তর নিয়ে যেতে , মালিক বলল

নবীজী (সাঃ)বলেছেন তোমার সাথে আমার মেয়ে

হুরকে বিয়ে দেওয়ার জন্য বাবা তুমি এখন যাও, নবীজী

(সাঃ)কে বলিয় আমি আমার মেয়ের সাথে পরামর্শ করে

খবর পাঠিয়ে দেব , নবীজী(সাঃ)এর কালো সাহাবি মন

খারাপ করে ফিরে যাচ্ছে । এমন সময় ঐ মেয়েটি দৌড়ে

এসে বলল বাবা দেখলাম একটি লোক এলে হাসিমুখে ,

কিন্তু যাওয়ার সময় মন খারাপ করে যাচ্ছে কারন কি????

বাবা মেয়ের কাছে সব খুলে বললো , কথাটা শুনে

মেয়েটি খুশিতে আত্মা হারা হয়ে বলল বাবা কি বলেছেন ,

নবীজী (সাঃ) পত্র লিখেছেন আমার বিয়ার প্রস্তাব এর

জন্য , আর আপনি ফিরিয়ে দিলেন বাবা ঐ সাহাবি নবীজী

(সাঃ)এর কাছে পৌছার আগেই তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আসুন , না

হয় যে আল্লাহর কাছে আমরা অপরাধী হয়ে যাবো । বাবা

নবীজী (সাঃ)পত্র লিখেছেন , এতে মনে হয় মদিনার

সব চেয়ে মূল্যবান ও সূ ভাগ্যবান মেয়ে আমি , মেয়ের

মুখে কথাটি শুনে বাবা আলহাদুলিল্লা বলে ঐ সাহাবি কে

ফিরিয়ে নিয়ে এল, বলল তুমি যে আমার মেয়েকে বিয়ে

করবে , দেন মহর হিসেবে কি দেবে… ???

কালো সাহাবি বল্ল আমার কাছে নবীজী(সাঃ)এর

ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই নেই , ঐ মেয়েটি বল্ল বাবা

আপনারতো অনেক টাকা আজ নবীজী(সাঃ)এর

ভালোবাসায় কিছু টাকা দেনমহরের জন্য ওকে দিয়ে দিন ,

মালিক আরো বল্ল বিয়ে যে করবে , কিছু কেনা কাটা

করেছ , আমার মেয়েকে সাজানোর জন্য , কালো

সাহাবির উত্তর আমার কাছে কোন টাকা নেই , ঐ মেয়েটি

বল্ল বাবা , নবীজী(সাঃ)এর ভালোবাসার খাতিরে বিয়ের

কেনা কাটার জন্য ও কিছু টাকা দিয়ে দিন ।

অবশেষে মদিনার বড় মালিক নবীজী(সাঃ)এর ভালোবাসার

খাতিরে , কালো সাহাবির হাতে কিছু টাকা দিয়ে বল্ল যাও

বিয়ের বাজার করে নিয়ে আসো , আজকের ভিতরে

আমি নবীজী(সাঃ)এর কথায় আমার সুন্দরী মেয়ের

সাথে তোমার বিয়ে দেব ।

নবীজী(সাঃ)এর কালো সাহাবি মনের আনন্দে বিয়ের

বাজার করতে রওনা হলো , বাজারে গিয়ে কিছু কেনা কাটাও

করে , হঠাৎ দেখে মানুষের দৌড়া দৌড়ি , কালো সাহাবি বলল

কি হলো সবাই এমন করে দৌড়াচ্ছে কেন ???

দোকানের মালিক বলল তুমি কি কিনবে পরে এসো ,

আমাদের মদিনার সম্পদ , মুসলিম বিশ্বের রহমত , হযরত

মোহাম্মদ (সাঃ)কে শত্রুরা আক্রমণ করেছে , এই বলে

দোকান বন্ধ করে চলে গেল ।

তখন কালো সাহাবি অন্য দোকানে গিয়ে , বিয়ের

বাজারের টাকা দিয়ে একটি তরবারি কিনলো, হঠাৎ আবার মনে

হলো মদিনার সুন্দরী মেয়ে তার জন্য অপেক্ষা

করছে , নিজের মনকে বুঝালো যেই নবীজী(সাঃ)না

হলে আমি হতাম না , দুনিয়া ও হতো না সেই নবীর

চেয়ে সুন্দরী মেয়ে আমার কাছে বড় নয়, এই বলে

নবীজী(সাঃ)এর কালো সাহাবি দৌড়ে যুদ্ধের ময়দানে

চলে গেল ।

_______ কিতাবে আছে ঐ যুদ্ধে নবীজী(সাঃ)এর ৭০

জন সাহাবি শহীদ হয়েছে , তার মধ্যে কালো সাহাবি

একজন । নবীজী (সাঃ)অশ্রুসিক্ত হয়ে বলল , আমার

আদরের সাহাবিদের কে রক্ত মাখা অবস্হায় দাফন করে দাও

, কিয়ামতের ময়দানে আমি আল্লাহর কাছে তাদের রক্ত মাখা

শরীর দেখিয়ে , কোটি কোটি গুনাগার উম্মেতের

নাবাজাতের দাবি করবো ।

হঠাৎ নবীজী(সাঃ)এর চোখ পরে কালো সাহাবির দিকে ,

জিহবা কামুর দিয়ে রক্ত মাখা হয়ে পরে আছে , নবীজী

(সাঃ)এর চিৎকার দিয়ে বলল , এই আমার কালো সাহাবির লাশ ,

তার আজকে বিয়ে হওয়ার কথা ছিলো , কয়েকজন সাহাবি

বলল হুজুর আপনার কালো সাহাবি বিয়ের বাজার করতে গিয়ে

, যখন শুনতে পেলো , শত্রুরা আপনাকে আক্রমণ

করেছে , তখন সে যুদ্ধের বাজার করেছে ।

নবীজী(সাঃ)কাঁন্না অবস্হায় কালো সাহাবির কবরের ভিতরে

তাকালো , কিছুক্ষণ পর হাসিমুখে বলল দাও তোমরা , আমার

কালো সাহাবির দাফন করে দাও , সাহাবিরা বলল হুজুর বেয়াদবি

মাপ করবেন , আপনি কাঁন্না অবস্হা কালো সাহাবির দিকে

তাকালেন , আবার হাসিমুখে দাফন করতে বললেন , কারনটি

বলবেন হুজুর ।

তাহলে শুন আমার কালো সাহাবির বিয়ের বাজার দিয়ে

যুদ্ধের বাজার করেছে , আমার ভালোবাসায় ইসলাম এর

পথে শহীদ হয়েছে , আমি তাকিয়ে দেখি ঐ হুরে মদিনা

বেহেস্তি হুর হয়ে তার সেবা করছে ।

_____……… সুবাহানআল্লাহ

সুবাহানআল্লাহ

সুবাহানআল্লাহ।।

****** নামাজের ওয়াক্তের যে স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো চিন্তাও করেননি *******

মানুষের দেহ চলমান। সুস্থতার জন্য নড়া-চড়া, হাঁটা-চলা ও ওঠা-বসা দরকার। ৫ ওয়াক্ত সালাতে মসজিদে যাওয়া-আসা করতে হয়। নামাজে ওঠা-বসা করতে হয়। এ সবই উপকারী। ৫ ওয়াক্ত সালাতের জন্য ৫টি সময় রয়েছে। এছাড়াও সুন্নত ও নফল নামাজের সময় রয়েছে। এ সময়গুলোর চিকিৎসা বিজ্ঞানগত উপকারিতা রয়েছে।

ফজরের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান

ফজরের সময় নামাজ আদায় করলে সারা রাত ঘুমের পর হালকা অনুশীলন হয়ে যায়। এ সময় পাকস্থলী খালি থাকে তাই কঠিন অনুশীলন শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এ সময়ে নামাজ আদায় করলে নামাজি অবসাদগ্রস্ততা ও অচলতা থেকে মুক্তি পায়। মস্তিষ্ক ফ্রি হয়ে পুনরায় চিন্তা করার জন্য প্রস্তুত হয়। এ সময়ে নামাজি হেঁটে মসজিদে যায় আর আত্মা পরিচ্ছন্ন, প্রশান্ত পরিবেশ থেকে সূক্ষ্ম অনুভূতি লাভ করে- এসবই উপকারী। এ সময়ে দেহ পরিষ্কার হয়। দাঁত পরিষ্কার, অঙ্গ ধোয়া ও পেশাব-পায়খানা থেকে পবিত্রতা অর্জন হয়ে যায়। এতে জীবাণুর আক্রমণ থেকে বাঁচা যায়। ডা. মাহমুদ চুগতাই বলেন, অন্ত্ররোগ ও আলসার থেকেও বাঁচা যায়। রোমের পাদরি হিলার বলেন, ভোরের নামাজের জন্য ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাশ্চর্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। (প্রার্থনা গ্রন্থ)

জোহরের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান

মানুষ জীবিকার জন্য দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ করে। এতে ধুলা, ময়লা, বিষাক্ত কেমিকেল শরীরে লাগে। দেহে জীবাণু আক্রমণ করে। ওজু করলে এসব দূর হয় এবং ক্লান্তি দূর হয়ে দেহ পুনর্জীবন লাভ করে। গরমের কারণে সূর্য ঢলে পড়ার সময় বিষাক্ত গ্যাস বের হয়। এ গ্যাস মানবদেহে প্রভাব ফেললে মস্তিষ্ক, পাগলামিসহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে। এ সময় ওজু করে নামাজ আদায় করলে এ গ্যাস প্রভাব ফেলতে পারে না ফলে দেহ বিভিন্ন রোগ থেকে বেঁচে যায়। এ সময় আল্লাহ নামাজ ফরয করে আমাদের জন্য অনুগ্রহ করেছেন।

আসরের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান

পৃথিবী দুই ধরনের গতিতে চলে। লম্ব ও বৃত্তীয়। যখন সূর্য ঢলতে থাকে তখন পৃথিবীর ঘূর্ণন কমতে থাকে। এমনকি আসরের সময় একেবারেই কমে যায়। এ সময় রাতের অনুভূতি প্রবল হতে থাকে। প্রকৃতির মধ্যে স্থবিরতা এবং অবসাদগ্রস্ততা প্রদর্শিত হতে থাকে। আসরের নামাজের সময় অবচেতন অনুভূতির শুরু হয়। এ সময় নামাজ আদায় করলে অতিরিক্ত অবসাদগ্রস্ততা, অবচেতন অনুভূতির আক্রমণ থেকে বাঁচা যায়। মানসিক চাপ ও অস্থিরতা কমে। নূরানি রশ্মি নামাজিকে প্রশান্তি দান করে।

মাগরিবের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান

সারাদিন মানুষ জীবিকার জন্য শ্রম ও কষ্টের মধ্যে কাটায়। মাগরিবের সময় ওজু করে নামাজ আদায়ের ফলে আত্মিক ও দৈহিক প্রশান্তি লাভ হয়। এ সময় নামাজ আদায়ে পরিবারের বাচ্চারাও অংশ গ্রহণ করতে পারে। এতে বাচ্চারা অনুগত, পুণ্যশীল হয়। এ সময় পরিবারের মধ্যে আনন্দের রেশ বয়ে যায়।

এশার সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান

মানুষ কাজ শেষ করে বাসায় ফিরে রাতে খাবার খায়। এ সময় খেয়ে শুয়ে পড়লে বিভিন্ন রোগ হতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, অল্প ব্যায়াম করে বিছানায় গেলে কোনো সমস্যা হবে না। এশার নামাজ ব্যায়ামের চেয়েও বেশি উপযোগী। এ নামাজ আদায়ে শান্তি পাওয়া যায়, খাদ্য হজম হয় এবং অস্থিরতা দূর হয়।

তাহাজ্জুদের সময় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান

এ সময়ে নামাজ আদায় করা অস্বস্তি, নিদ্রাহীনতা, হার্ট, স্নায়ুর সংকোচন ও বন্ধন এবং মাথার বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা। ডা. মাহমুদ চুগতাই বলেন, যারা দূরের জিনিস দেখে না এ সময়ে নামাজ আদায় করা তাদের চিকিৎসা। এছাড়াও এ সময়ে নামাজ আদায় করলে বুদ্ধি, আনন্দ এবং অসাধারণ শক্তির সৃষ্টি হয় যা নামাজিকে সারাদিন উৎফুল্ল রাখে।

Chat on WhatsApp